ঢাকা, বাংলাদেশ  |  মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১



  বিভাগ : স্বাস্থ্য তারিখ : ১৮-০৮-২০২১  


গুপ্তঘাতক অস্টিওপোরোসিস


  স্মৃতিময় ভট্টাচার্য্য



স্মৃতিময় ভট্টাচার্য্য: ক্লাস চলছিল, বিষয় ছিল আর্সেনিকোসিস। পিনড্রপ সাইলেন্ট। বেশ ভালোই সময় যাচ্ছিল সকলের একাগ্রতায়। হঠাৎ করে আশেপাশে একটু গুঞ্জন ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। জানা গেল একজন শিক্ষক এর শিশু সন্তান ছাদের কার্নিশ থেকে নিচে পড়ে গেছে, শিশুটির বয়স দু’বছর। হাসপাতালে নেবার পর চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানালেন- সে  অক্ষত অবস্থায় আছে। শুরু হলো নানাপ্রকার মন্তব্য’র ঝড়। বিস্তারিত বর্ণনা দিতে গেলে ইতি টানতে অনেক কষ্ট হবে এবং লেখার উদ্দেশ্য বিচ্যুতি ঘটবে।  না বাড়িয়ে অন্য ঘটনায় আসি।

একটি এনজিওতে সুপারভাইজারের দায়িত্বে আছেন সুপর্ণা, বয়স ৩৫ উর্ধ। বিশ্বে করোনাভাইরাস করছে উলটপালট, প্রভাবটা তার জীবনেও সমান্তরাল। কাজকর্ম বাড়িতে বসে, চলছে একঘেয়ে জীবন। হঠাৎ একদিন বসা থেকে উঠে দাঁড়াতেই কেমন যেন বেসামাল অবস্থা। দেহের ভার যেন বহন করতে পারছে না। আবার বসে পড়লো টাল সামলে। গুরুতর বিপদ থেকে  বেঁচে গেলেও পা গুলোর যেন সেই সতেজতা নেই আর। হাড়গুলো মনে হয় শুকনো বাঁশের মতো। চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বললেন- অস্টিওপরোসিস।

অনুষ্ঠানটি ছিল সাংগঠনিক গেট টু-গেদার। আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং মধ্যাহ্নভোজনশেষে বন্ধু এস কে দাস (বয়স ষাটোর্ধ) বিদায় নিলেন কর্মক্ষেত্র দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় বৈকালিক দায়িত্ব পালন করতে। প্রেসক্লাব থেকে অফিসের গাড়িতে যাবেন, ফাঁকে এক কাপ চা পান করে গলাটা ভিজিয়ে নিতে এগিয়ে গেলেন ক্লাবের পাশে চায়ের দোকানের দিকে। কাছাকাছি যেতেই হুমড়ি খেয়ে পড়লেন বালির ডিপিতে। উঠে দাঁড়াতে গেলেন তো আর পারছেন না। তারপর হাসপাতাল পরীক্ষা-নিরীক্ষায় হাড় ভাঙ্গার প্রমাণ এবং অপারেশনের মাধ্যমে চিকিৎসা সমাপ্তি। তিন মাস বিছানায়, পরিণতিতে হারাতে হলো মূল্যবান চাকরিটিও।

বর্তমান বিজ্ঞানের যুগে বিজ্ঞানের অগ্রগতির সাথে সাথে  বৃদ্ধি পাচ্ছে কর্মব্যস্ততাও। আমরা এতটাই কর্মব্যস্ত হয়ে পড়ছি যে দেহের গ্রহণযোগ্যতা সম্বন্ধে ধারণাটা সম্যক বিবেচনায় রাখছি না। ফলে অজ্ঞাতে অবহেলায় নানা রকম শারীরিক অত্যাচারের মাধ্যমে দেহে বাসা বাঁধছে বিভিন্ন প্রকার অসুখ-বিসুখ। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে হাড়ের এই অসুখটি যার নাম- অস্টিওপোরোসিস। যখন শরীরে গ্রহণযোগ্যতার বাইরে অতিরিক্ত চাপ দিয়ে শরীরের উপর নির্যাতন করা হয় অর্থাৎ কাজ করা হয় তখন দেহের হাড়গুলো দুর্বল এবং ভঙ্গুর হতে থাকে।

আমাদের দেহের প্রতিটি অংশে অবিরাম নতুন টিস্যু তৈরি হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যুতে প্রতিস্থাপিত হচ্ছে নতুন টিস্যু। পঁচিশ ত্রিশ বছর বয়স পর্যন্ত  প্রক্রিয়াটি মোটামুটি ঠিকঠাক চলে- যদি কোনো অস্বাভাবিকতা না থাকে। ৪০ বছরের দিকে এই প্রক্রিয়া কমে যায় ফলে হাড়ের ক্ষেত্রে দেখা যায় সামান্যতেই ভঙ্গুরতায় পর্যবসিত হয়। এখানে প্রথম ঘটনায় দেখা যায় শিশুটি ছাদ থেকে অর্থাৎ প্রায় ১২ ফুট উপর থেকে পড়ে যাওয়ার পরও তার হাড় ভাঙ্গেনি- হাড়গুলো এতটাই স্থিতিস্থাপক। পরবর্তী দুটো ঘটনা পর্যালোচনা করলে দেখা যায় মধ্য এবং প্রবীণ বয়সে শরীরের হাড়গুলো বেদনাদায়ক ও ভঙ্গুর হয়ে ওঠে। এই পরিবর্তনটা আসে চুপিসারে এবং অজ্ঞাতসারে।

একটা বয়সে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে হাঁটু, কোমর, পিঠ ব্যথা বা ব্যাকপেইন হতে দেখা যায়। বিশেষ করে একটু বয়স হলে প্রায় সকলেরই এটা হয়ে থাকে। কেন এমন হয় তা অনেকেই ভেবে দেখি না। বাস্তবিকপক্ষে  সমস্যাগুলো সৃষ্টি হয় এই অস্টিওপোরোসিস নামক অস্থিক্ষয় রোগের কারণে। বেশির ভাগ প্রবীণরা এটাকে অবহেলা করেন, ফলে ক্রমবর্ধমান জটিলতায় তিলে তিলে নিঃশেষ হয়ে যান। অস্থিক্ষয় বা অস্টিওপোরোসিস এমন একটি রোগ যার ফলে ক্ষয় হতে হতে হাড়ের ঘনত্ব কমে নাজুক হয়ে যায় এবং মানুষ ধীরে ধীরে অচল হয়ে পড়ে। আমাদের দেহের হাড়গুলো জন্মের সময় নরম থাকে কিন্তু পরবর্তীতে ধীরে ধীরে ক্যালসিয়াম জমা হয়ে শক্ত হয় অর্থাৎ হাড়ের ঘনত্ব বা ডেনসিটি বেড়ে শক্ত এবং মজবুত হয়। শিশুদের হাড়ে চাপ পড়লে বাঁকা হয়ে যাবে পক্ষান্তরে বয়স্কদের হাড়ে অতিরিক্ত চাপ বা আঘাত লাগলে ভেঙ্গে যাবে। মানুষের হাড়ের ঘনত্ব ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং পরবর্তীতে ধীরে ধীরে এই ঘনত্ব কমতে থাকে। একটা নির্দিষ্ট বয়সে (৬০-৭০বছর)  ঘনত্ব অনেক কমে যায় এবং অস্টিওপোরোসিসের সৃষ্টি হয়। উদাহরণস্বরূপ বলতে পারি ঘুন ধরা বাঁশ যেমন ধীরে ধীরে নড়বড়ে হয়ে অকেজো হয়ে যায়, হাড় ক্ষয় বা অস্টিওপোরোসিস ঠিক সেইরকম। এটি একটি নীরব ঘাতক। শরীরে হাড়ের ঘনত্ব কমে ঝাঁজরা হয়ে অনেকটা মৌচাকের কাঠামোর মত হয়ে যায়, ফলে হালকা আঘাতেই হাড় বেঁকে যাওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। দেহে অস্টিওপোরোসিসের লক্ষণ খুব একটা বোঝা যায় না তবে চলাফেরার সময় হঠাৎ পড়ে গেলে বা আঘাত পেলে হাড় ফেটে বা ভেঙ্গে যায় বিশেষ করে হিপ বল (কোমর আর পায়ের উপরের হাড়) গোড়ায় এবং মেরুদন্ডের হাড়গুলো সহজেই ভেঙ্গে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। ফলে মানুষকে অচল করে দেয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মানুষের উচ্চতা কমে যায় এবং সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে যাকে কুঁজো বা কাইফোসিস বলে। অনেক ক্ষেত্রে অবিরাম ব্যথা অনুভূত হয়। সেক্ষেত্রে হাড়ের ক্ষয় কিন্তু আগে থেকেই শুরু হয়ে গেছে বুঝতে হবে। কারো উচ্চতা ১৭৬ সেন্টিমিটার কিছুদিন পর দেখা গেল ১৭৫ আরো কিছুদিন পর ১৭৪ সেন্টিমিটার হয়ে যাচ্ছে। এর ব্যাখ্যা হচ্ছে আমাদের পেছনে কতগুলো হাড় রয়েছে সেগুলো ক্ষয় হয়ে আস্তে আস্তে বেঁকে যায় ফলে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়।

এখন প্রশ্ন হলো কারা বেশি ঝুঁকিতে থাকেন? এটি বংশগতভাবে হতে পারে, অর্থাৎ কারো এ রোগ থাকলে পরবর্তী প্রজন্মের হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। খাদ্যাভ্যাসের সাথে একটা সম্পর্ক রয়েছে। যেমন আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়াম থাকা বাঞ্ছনীয়, পরিমিত পরিমাণে এ দু’টি উপাদান গ্রহণ না করলে অস্টিওপোরেসিস হতে পারে। মূলত দুধ এবং ছোট মাছে ক্যালসিয়াম; ডিম গাজর ও বিভিন্ন ফলে ভিটামিন ডি রয়েছে। তাছাড়া প্রাকৃতিকভাবে সূর্যালোক আমাদের ত্বকে ভিটামিন ডি উৎপন্ন করে। দীর্ঘদিন কিছু স্টেরয়েড (কেমোথেরাপি হেপারিন ইত্যাদি) ওষুধ গ্রহণের ফলেও হাড়ের ঘনত্ব নষ্ট হয়ে যায়। সাধারণত পঞ্চাশোর্ধ  মেয়েদের ঋতুস্রাব বন্ধ হবার পর ইস্ট্রোজেন হরমোন কমে যায়। ফলে হাড় দ্রæত ক্ষয় হতে থাকে। অনেক মেয়ের জরায়ুর অস্বাভাবিকতার চিকিৎসায় অপারেশন করা হয়। যাদের জরায়ু ফেলে দেওয়া হয় তাদের ঋতুস্রাব সময়ের আগেই অর্থাৎ অনাকাক্সিক্ষত ক্ষণে বন্ধ হয়ে যায়। এক্ষেত্রে অল্প বয়সেও তাদের অস্টিওপোরোসিস হতে পারে- যা আমার বর্ণিত এনজিও কর্মীর ক্ষেত্রে পরিলক্ষিত হয়। একনাগাড়ে বসে কাজ করেন বা সব সময় দাঁড়িয়ে কাজ করেন এবং যারা কায়িক পরিশ্রম কম করেন তাদের এ রোগ বেশি হওয়ার প্রবণতা থাকে। সৌভাগ্যের বিষয় হলো মোটা লোকদের এ রোগ কম হয়ে থাকে বলে গবেষণালব্ধ তথ্যে পাওয়া যায়। হরমোনজনিত বিভিন্ন রোগ যেমন থাইরয়েড, প্যারাথাইরয়েড এবং স্টেরয়েড হরমোনের আধিক্য হলে, আবার সেক্স হরমোন কমে গেলেও অস্টিওপোরোসিস হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি অর্থাৎ প্রাকৃতিক উপায়েও এই অস্বাভাবিকতার সৃষ্টি হতে পারে।

চিকিৎসকরা সাধারণত হাড়ের ঘনত্ব নির্ণয়ের মাধ্যমে এ রোগ সম্বন্ধে নিশ্চিত হন। স্ক্যান করে এই ঘনত্ব নির্ণয় করা হয়। ফলাফল শূন্য হলে সম্পূর্ণ ভালো, ১.৫ মাঝারি এবং ২.৫ এর বেশি হলে এ রোগের সূত্রপাত হচ্ছে বলে ধরা হয়। বিশ্বব্যাপী মহিলাদের ক্ষেত্রে প্রতি তিনজনে একজন এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রতি পাঁচজনে একজনের এ রোগ হতে দেখা যায়। আন্তর্জাতিক অস্টিওপরোসিস ফাউন্ডেশনের হিসাব মতে বিশ্বে প্রতিবছর ৮.৯ মিলিয়ন মানুষ এ রোগের কারণে হাড় ভাঙ্গা বা বোন ফ্রাকচারে আক্রান্ত হয়। ফলে প্রতি ৩ সেকেন্ডে একজন মানুষের বোন ফ্রাকচার  বা হার মচকানো কিংবা ফেটে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।

এ রোগের প্রতিকার ও প্রতিরোধে পরামর্শ হলো যাদের ইতোমধ্যে অস্টিওপরোসিস শুরু হয়ে গেছে তারা ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি-যুক্ত খাবার বেশি পরিমাণে খাবেন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাবেন। পাশাপাশি কিছু উপদেশ যেমন বয়স্ক ও বৃদ্ধ লোকেরা লাঠি নিয়ে চলাফেরা করবেন। উঁচু নিচু জায়গা এবং পিচ্ছিল ভাঙ্গা রাস্তা এড়িয়ে চলা, বাথরুম ও করিডোরে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখা, বাথরুম শুকনো রাখা, সিঁড়ি দিয়ে উঠা নামার সময় রেলিং ধরে অথবা কারো সাহায্য নেওয়া উচিত।

আধুনিক চিকিৎসায় চিকিৎসকরা মহিলাদের ক্ষেত্রে হরমোন প্রতিস্থাপন চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। বিশেষ করে মাসিক বন্ধের পর যাদের অস্টিওপরোসিস শুরু হয়। এছাড়া যাদের জরায়ু অপারেশন করে ফেলে দেয়া হয় তাদের হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপিতে সুফল পাওয়া যায়। অধুনা অনেক স্বল্পমাত্রার ওষুধ আবিষ্কৃত হয়েছে যেগুলো ব্যবহারে রোগ নিরাময় হয়। সাধারণত হাড়ের ঘনত্ব পরীক্ষা করে চিকিৎসকরা এ রোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। নিয়মিত চিকিৎসা করালে ২ থেকে ৩ বছরে এটা ভালো হয়। স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এলে ওষুধ বন্ধ করে দিতে হয়। এটা যেহেতু বৃদ্ধদের অসুখ তাই পুরোপুরি সুস্থ করা যায় না তবে হাড় ভেঙ্গে যাওয়ার প্রবণতাটা কমিয়ে আনা যায়। প্রাথমিকভাবে ধরা পড়লে সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়া সম্ভব। পুরো চিকিৎসা পদ্ধতিটি একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শেই কেবল পরিচালিত হতে পারে।

পরিশেষে এটুকু বলা যায় এ রোগের প্রতিরোধে সামাজিকভাবে এবং খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে অনেকটাই  সফলতা পাওয়া যায়। সঠিক ও সহজপাচ্য খাদ্য তালিকা প্রণয়ন, ফাস্টফুড এবং কৃত্রিম ও ভেজাল খাদ্য পরিহার, কোমল পানীয় এবং নেশাজাতীয় দ্রব্য থেকে বিরত থাকা বাঞ্ছনীয়। ঘুম, বিশ্রাম এবং শরীরচর্চায় সচেষ্ট থাকতে হবে। যারা হাঁটাচলায় অক্ষম তারা বাড়িতেই হালকা ব্যায়াম করে শরীর সচল রাখবেন। বয়স্করা সবসময় সচেতন থাকবেন। সামাজিকভাবেও তাদের উপর খেয়াল রাখতে হবে। চোখের সমস্যা থাকলে চলাফেরায় চশমা অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। বয়সটাকে বিবেচনায় রেখেই সবকিছু করবেন।

 তথ্যসূত্র: নিউক্লিয়াস মেডিকেল মিডিয়া


 নিউজটি পড়া হয়েছে ৭৫ বার  






 

স্বাস্থ্য

বিশেষজ্ঞদের ধারণা ''ওয়েলওলফ সিন্ড্রোম''!

বিশ্ব ইয়োগা দিবস ও কতিপয় ভাবনা

ফ্রাইড চিকেন বা ফিশ ফ্রাইয়ে অকাল মৃত্যুঝুঁকি!

স্বাস্থ্য বিভাগের আরো খবর





সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি:
আবদুল্লাহ আল হারুন
প্রধান সম্পাদক:
আসিফ হাসান (নূর নবী)

সম্পাদক ও প্রকাশক:
মো. জিয়াউল হক
বিশেষ সংবাদদাতা:
র‌বিউল ইসলাম সো‌হেল

আমাদের মানচিত্র

ঠিকানা: দেওয়ান কমপ্লেক্স (৩য় তলা), ৬০/ই/১, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
কক্ষ নং ১৪/সি, নোয়াখালি টাওয়ার (১৪ তলা), ৫৫-বি, পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০

ফোন: ০১৯১৪-৭৩৫৮৫৮, ০১৯১৪-৮৭৫৬৪০
ইমেইল: editor@amadermanchitra.com, amadermanchitrabd@gmail.com

Location Map
Copyright © 2012-2021
All rights reserved

design & developed by
corporate work